Categories
Learn English Speak English

Advanced Spoken English Course – Bengali Edition

Read, Write, Listen, Watch, Understand and Speak Correctly

যে কোন ভাষা শেখার জন্য যে তিনটি বিষয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেইগুলি হল – যে ভাষা শিখছি সেই ভাসায় পড়তে, লিখতে ও বলতে পারা। তবে প্রাচীন কালে একটি বিশেষ পদ্ধতির প্রচলন ছিল সেটি হল শুনে শুনে শিক্ষা গ্রহণের পদ্ধতি যেটিকে শ্রুতি বলা হতো।
তবে শোনার সাথে সাথে যদি আমরা সেই শিক্ষাকে কল্পনার রুপ দিতে পাড়ি অথবা সত্যিকারের চিত্র বা নাটকের মাধ্যমে দেখতে পাই তবে সেই শিক্ষাকে আমাদের বুঝতে আরও সুবিধে হয়।

তাই কোন ভাষায় সম্পূর্ণ রূপে দক্ষতা গড়ে তুলতে গেলে আমাদের মোট ছয়টি পদ্ধতির অবলম্বন করতে হবে। সেইগুলি হল – পড়া, লেখা, শোনা, দেখা, বুঝতে পারা ও সঠিক বলতে পারা।

পড়াঃ

কি পড়বেন?

আপনি যদি বর্তমানে স্কুল বা কলেজে পাঠরত হন তবে আপনার ইংরেজি পাঠ্য বই থেকে আপনাকে শুরু করার পরামর্শ আমি দিবো। আপনার যদি পড়াশোনা সম্পূর্ণ হয়ে গিয়ে থাকে তবে আপনি দেশি লেখকের ছোট ইংরেজি উপন্যাস কিনতে পারেন। অনেকে ইংরেজি খবরের কাগজ পড়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে আমি সেই পরামর্শ আপনাকে দিবো না কারন তার পেছনে আমার নিজস্ব যুক্তি রয়েছে।

আপনি যেই বইটি কিনবেন সেই বইটি আপনি একটি উদ্দেশ্য পূরণের জন্য কিনবেন। এবং সেই বইটি আপনার উদ্দেশ্য পূরণের ইচ্ছা আপানার মনে সর্বদা জাগিয়ে রাখবে। যে কোন নতুন বিষয় নিজে থেকে শিখতে চাইলে সেই উদ্দেশ্য পূরণ করতে অনেকটা দিরপ্রতিজ্ঞ হতে হয়, অনেক মোটিভেশনের প্রয়োজন হয়। এই বইটি ও একটি আপনার পছন্দের ইংরেজি উপন্যাস আপনার মধ্যে সেই ইন্ধন জোগাবে। আপনি এবার সেই বই থেকে প্রতিদিন দুইটি করে প্যারাগ্রাফ রিডিং পড়বেন।

কি লিখবেন?

আপনি যে দুইটি প্যারাগ্রাফ প্রতিদিন রিডিং পড়বেন সেই প্যারাগ্রাফ থেকে সেই সমস্ত শব্দ একটি ফ্রেশ খাতায় ১., ২., ৩.,….. করে নোট করবেন যেই সমস্ত ইংরেজি শব্দের অর্থ অথবা তার উচ্চারণ আপনি জানেন না।

যেমনঃ
১. Abandon –
২. Collection –
৩. Documentary –
৪. ………

এরপর আপনি ইংরেজি শব্দগুলির পাশে পাশে তাদের সঠিক বাংলা উচ্চারণ বাংলা ডিকশনারী বা ইন্টারনেট থেকে খুজে বার করে লিখে ফেলুন।

এইভাবে,
১. Abandon – অ্যাব্যানডন –
২. Collection – কালেকশন –
৩. Documentary – ডকুমেনটরি –
৪. ………

এবার শব্দ গুলির সঠিক বাংলা অর্থ ডিকশনারী বা ইন্টারনেট থেকে খুজে তাদের পাশে পাশে লিখে ফেলুন।

এইভাবে,
১. Abandon – অ্যাব্যানডন – পরিত্যাগ করা।
২. Collection – কালেকশন – সংগ্রহ।
৩. Documentary – ডকুমেনটরি – তথ্যচিত্র।
৪. ………

এর পরে আপনাকে শব্দ গুলির বাংলা অর্থ দিয়ে বাংলা বাক্য তৈরি করে সেই বাক্যকে ইংরেজি বাককে রূপান্তর করতে হবে।

১. আমি আমার বাড়ি বহু বছর আগে পরিত্যাগ করেছি- I have abandoned my house many years ago.

২. আমি একজনকে চিনি যে কয়েন সংগ্রহ করে – I know someone who does coin collection.

৩. আমি আমার লেখা বইএর ওপর একটি ডকুমেনটরি তৈরি করতে চাই – I want to make a documentary on the book that I have written.

আপনাকে চেষ্টা করতে হবে যাতে বাক্যগুলি আপনার নিজস্ব হয়। শুরু শুরুতে আপনি যদি ব্যাকের সঠিক ইংরেজি রূপান্তর করতে না পাড়েন তবে কোনো সমস্যা নেই। কারন এই বইটি পড়তে পড়তে আপনি ব্যাকের সঠিক ইংরেজি রূপান্তর পদ্ধতিগুলি শিখে যাবেন।
এই লেখার অভ্যাস আপনার তৈরি হলে আপনি দেখতে পাবেন যে দিনে দিনে আপনার ইংরেজি শব্দ ভাণ্ডারের জ্ঞান তৈরি হচ্ছে।

খাতায় লেখা শব্দ, তার উচ্চারণ, বাংলা অর্থ ও তা দিয়ে তৈরি ইংরেজি বাক্য আপনাকে ততদিন নিয়মিত অভ্যাসে রাখতে হবে যতদিন না আপনি সফল ও সাবলীল ভাবে ইংরেজিতে কথা বলতে পারছেন।
এই ভাবে ৩০ দিন অভ্যাসের পর আপনাকে এবার তার সাথে article লেখার অভ্যাস শুরু করতে হবে। আপনি সহজ article থেকে শুরু করতে পারেন। যেমন “about myself”, “My daily routine”, “My School”, “My College”, “The memorable day of my life”, “My recent tour with my parents/ friends”, “Dairy writing – My day to day life” etc.
Article গুলি আপনি প্রথমে বাংলাতে লিখে তারপর ইংরেজিতে রূপান্তর করতে পারেন অথবা সরাসরি ইংরেজিতে লিখতে পারেন। আপনার এখন এই কাজটি কঠিন মনে হলেও আপনি ১ মাস নিয়মিত এই বইটি অভ্যাস করলে দেখবেন ইংরেজি আপনার কতো সহজ বলে মনে হচ্ছে। এই একমাসে ইংরেজির প্রতি আপনার ভয়ও অনেকটা কমে যাবে। আমি বেশির ভাগ ছাত্রছাত্রীদের দেখেছি ইংরেজির প্রতি ভয় ও self confidence এর অভাব তাদের ইংরেজি শেখার পথের বাধা হয়ে দাড়ায়।

ইংরেজিতে ভয় কাটাবেন কি করে?

আপনি যে article গুলি লিখছেন সেই article গুলি এবার আপনাকে ইন্টারনেটে পোস্ট করতে হবে। আপনি blogspot website বা app ব্যাবহার করে আপনার একটি ফ্রী ব্লগ শুরু করতে পারেন। এবং আপনার ব্লগে নিয়মিত article গুলি পোস্ট করতে পারেন। সেই article এর লিঙ্ক গুলি আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। বিশ্বাস করুন এতে আপনার ইংরেজির প্রতি ভয় ১০০% কমে যাবে।

শুনাঃ

কি শুনবেন?

ইংরেজিতে পারদর্শী হতে গেলে আপনাকে লিখতে পড়তে পারার সাথে সাথে আপনাকে শুনে বুঝতে পারাতেও দক্ষতা বাড়াতে হবে। এই দক্ষতাতে ইংরেজিতে বলা হয় listening ability. এই listening ability না থাকার কারনে আমরা অনেক সময় ইংরেজি সিনেমা বা গানে কি বলছে সেটা ধরতেই পাড়ি না।

আপনি যদি অপর বেক্তি ইংরেজিতে কি বলছে সেটা বুঝতে না পারেন তবে আপনি তার কথার উত্তরও দিতে পারবেন না। তাই আমাদের listening ability এর অপরও গুরুত্ব দিতে হবে।

কি করে listening ability বাড়াবেন?

ইউটিউবে আপনি যদি audiobook লিখে সার্চ করেন তাহলে আপনি অনেক বহু বিখ্যাত লেখকের audiobook ফ্রীতে শুনতে পারবেন। audiobook গুলির মধ্যে যে কোন একটি পছন্দ করে সেই বইটি প্রতিদিন একটু একটু করে শুনতে হবে।

আপনি যে ফ্রী audiobook টি ইউটিউব থেকে বেছে নিয়েছেন সেই বইটি যদি আপনার reading skills এর জন্য কিনে ব্যাবহার করেন তবে আপনি আরও ভালো ফলাফল পাবেন বলে আমি মনে করি।
audiobook এর সাথে সাথে আপনাকে ধিরে ধিরে ইংরেজি গান ও ইংরেজি খবর শোনার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। আপনি যে ইংরেজি গান গুলি শুনবেন সেই গানগুলির লিরিক্স ইন্টারনেটে পেয়ে যাবেন। গান শোনার সময় সেই গানের লিরিক্স আপনার চোখের সামনে থাকলে আপনি গানের ইংরেজি শব্দগুলি স্পষ্ট ভাবে ধরতে পারবেন।

কি দেখবেন?

আমাদের দেশে বহু ইংরেজি নিউজ চ্যানেল রয়েছে যে কোন একটি ইংরেজি নিউজ চ্যানেলের একটি ৩০ মিনিটের বা ১ ঘণ্টার শো আপনাকে প্রতিদিন দেখার অভ্যাস রাখতে হবে। তাছাড়া আপনার সপ্তাহে কমকরে একটি ইংরেজি সিনেমা ও মাঝে মাঝে ইংরেজি কার্টুন বা নাটক দেখার অভ্যাস করতে হবে।

সঠিক ভাবে কি করে কথা বলবেন?

এই বইটি আপনাকে সঠিক ভাবে ইংরেজিতে কথা বলতে শেখাবে এবং তার জন্য আপনাকে এই বইটির নিয়মিত অধ্যয়ন করতে হবে। আপনি এই বইটি থেকে যে পদ্ধতিতে ইংরেজি শিখবেন তা আপনি এর আগে কোনও বইয়ে দেখে থাকবেন না। এই নিয়ম গুলি আপনাদের এর আগে কোনও স্কুল বা কলেজে শেখানো হয়নি। এই বইটিতে আপনি বাংলা থেকে ইংরেজি বাক্য তৈরি করার দ্রুত কৌশলের ব্যাপারে জানবেন।

এই বইটি আপনি নিয়মিত অভ্যাস করলে ইংরেজি আপনার জীবনে স্থায়ী ভাবে বাসা তৈরি করবে।

Categories
Speak English

আপনি কি ইংরেজিতে কথা বলতে চান?

বর্তমান যুগে ইংরেজি ভাষায় কথোপকথনে অভ্যস্ত না হতে পারলে অনেকসময় জীবনে এগিয়ে যাওয়ার পথ ক্রমশ সংকীর্ণ হতে থাকে এবং কম বেশি প্রায় প্রতিটি বাঙালি ছাত্রজীবন থেকে চাকরি জীবনে বেশ কিছু সময়ে এই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। কিন্তু মানুষকে তো সময়ের সাথে নিজেকে পাল্টে ফেলতে হয় এবং হঠাৎ নিজেকে পাল্টানো খুব একটা সহজ কাজ নয়। তবু জীবন যাত্রাকে উন্নত করার জন্য মানুষ নতুন কিছু অভ্যাস তৈরির চেষ্টা করে, ইংরেজিতে কথা বলাটা তাদের মধ্যে অন্যতম অভ্যাস যা শেখাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইংরেজি বিশ্বের সর্বাধিক কথ্য ভাষা। তবুও দশজনের মধ্যে দুজন ছাড়া বাকি কেউই ইংরেজি বলতে পারেন না। আবার ধরুন, আপনি যদি বিদেশে বেড়াতে যান এবং সেখানকার ভাষা না জানেন তো কেমন সমস্যায় পড়বেন ! কিন্তু যদি আপনি ইংরেজি বলতে পারেন তবে সেই সমস্যায় আর আপনাকে পড়তে হবে না, কারণ সেখানে বেশিরভাগ মানুষ ইংরেজি বলতে ও বুঝতে সক্ষম হবে। ইংরেজি হলো বিজ্ঞান, কম্পিউটার এবং পর্যটনের ভাষা। ইংরেজী ভাষায় অভ্যস্ত হলে তা আপনার দেশের মধ্যে কোনও বহুজাতিক সংস্থায় চাকরি পাওয়ার বা বিদেশে কাজ সন্ধানের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে। যেহেতু ইংরেজি ভাষা পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষের জানা, তাই এই ভাষার মাধ্যমে অন্যান্য দেশের মানুষের সাথেও নানাভাবে সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেন। বেশিরভাগ বৈজ্ঞানিক পেপার ইংরেজি ভাষায় লেখা হয়,  তাই ইংরেজি না জানলে সেই পেপারের অর্থ বুঝতে পারবেন না।  আপনি যদি সমস্ত ইংরেজী কথা বলতে ও বুঝতে পারেন, হলিউড এর আপনার পছন্দসই বই, গান, চলচ্চিত্র এবং টিভি শো উপভোগ করতে আপনার আর অনুবাদ এবং সাবটাইটেলগুলির উপর নির্ভর করতে হবে না। ইন্টারনেটে পাওয়া বেশিরভাগ কন্টেন্ট ইংরেজিতে হয়, তাই আপনি যদি ইংরেজি না জানেন তবে সেই লেখার মানে আপনি বুঝতে পারবেন না।

এতো সব গুরুত্বপূর্ণ কারনের জন্য আপনি হয়তো বহুবার ইংরেজি শেখার চেষ্টা করেছেন, চেষ্টার পর আপনি ইংরেজি ভাষার মানে বুঝলেও সেই ভাষায় কথোপকথনে অভ্যস্ত হতে পারেননি। তখন বহু অনলাইন অ্যাপ, ইংরেজি ভাষার কোর্সের উপর নির্ভরশীল হতে হয়েছে তবু হয়তো আপনার আশা পূরণ হয়নি।

একবারও ভাবেন না ছোটো থেকে স্কুলে ইংরেজি ভাষা শেখার পরেও কেনো আপনি এই ভাষায় অভ্যস্ত হতে পারেননি?

ইংরেজি গ্রামারে দক্ষ হওয়ার পরেও ইংরেজি বলার সময় কেনো অনেক সময় নিচ্ছেন?

ইংরেজি নোভেল, গল্পো, কবিতা, নাটকের মোটা মোটা বই পড়ার পরেও কেনো এই ভাষায় কথা বলতে পারেন না?

স্কুলের পরে কলেজেও ইংরেজি ভাষা পড়তে হতো, তারপরেও কেনো এই ভাষায় কথা বলা শিখতে পারলেন না?

ছোটো থেকে বাংলা মিডিয়ামে পড়ার পর ইংরেজি বলতে এতো ভয় কেনো? ইংরেজিও তো পড়েছিলেন।

ইংরেজি গান, সিনেমা দেখতে ভালোবাসলেও সেই ভাষায় কথা কেনো বলতে শিখলেন না?

ইংরেজি না বলতে পারার কারণে সমবয়সী বা কখনো বয়সে ছোটো কারোর কাছেও হাসির পাত্র হচ্ছেন?

জীবনের বেশিরভাগ সময়ে ইংরেজি পড়ার পরেও কেনো আজ আলাদা ভাবে অ্যাপ বা অন্যান্য উপায় অবলম্বন করতে হয় ইংরেজিতে কথা বলার জন্য?

ইংরেজিতে বিভিন্ন গল্পো লেখার পরেও সেই একই ভাষায় কথা বলতে এতো ভয় কেনো ?

ইংরেজি বলতে আপনার সমস্যা ঠিক কোথায়? আপনার বুদ্ধিমত্তার ক্ষমতা থাকার পরেও শুধু ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন না বলে চাকরি পেতে সমস্যা হচ্ছে। এই সমস্যা কেনো হয় আপনার সাথে? কি খামতি ছিল আপনার পড়াশোনায়? আমার এই বই এই সকল কিছু নিয়েই। দীর্ঘ ৮ বছর নানাভাবে গবেষণার পর প্রত্যেকের সমস্যার জায়গা বোঝার পর আমি এই বই লিখতে শুরু করি। মানুষের চরিত্র ভিন্ন তাই তাদের সমস্যা ভিন্ন। এই বইতে সকলের সব সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। আসলে ছোটো থেকে আপনারা যাই ইংরেজি বই পড়ে থাকুন না কেনো, সেখানে একটা চ্যাপ্টার সবসময় বাদ পড়ত, হ্যাঁ ! সমস্যা আপনার গোঁড়াতেই। তাই আমার এই বই গোঁড়া থেকে সকল সমস্যার কথা মাথায় রেখেই লেখা হয়েছে। তবে বলে রাখা ভালো, আপনি যদি ইংরেজি ভাষা একেবারেই না জানেন তবে এই বই আপনার সাহায্য করতে পারবে না। এই বই তাদের জন্য যারা অনেক চেষ্টার পরেও, সবকিছু দক্ষতার সাথে জানার পরেও কোনো কারণে ইংরেজিতে কথোপকথন করতে পারেন না।

“I have been teaching students English speaking course since 2011. I have seen that most of the students have fear about English language. They don’t have self confidence about themselves. They think what people think about them if they make mistakes while speaking in English.”  

উপরের লাইন গুলির মানে বুঝতে না পারলে আপনার উচিত ছোটোদের ইংরেজি ও গ্রামার বই পড়া। অপরদিকে, যারা এই লাইন গুলির মানে বুঝতে পেরেছেন কিন্তু এই একই কথা মুখে বলতে সমস্যায় পরেন, আমার এই বই তাদের জন্য। এই বইতে পৃষ্ঠা সংখ্যা হয়তো কিছুটা বেশিই, কিন্তু একমাত্র এই বই পারে আপনার উন্নতির পথ খুলে দিতে তাও মাত্র চার মাসে। আপনার আত্ম – বিশ্বাস ও জ্ঞানের পরিধি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এই বই লেখা এবং এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ও অর্থমূল্য দুটোই আপনার সর্বাধিক উন্নতির মূল্যের তুলনায় কম। কিভাবে খুব অল্প সময়ে সঠিক ইংরেজিতে কথা বলা যায়, কিভাবে নিজের মাতৃ ভাষাকে তার যথা স্থানে রেখে ইংরেজিতে খুব তাড়াতাড়ি কিছু ভাবা যায় এবং ইংরেজিতেই তার প্রকাশ করা যায়, এই বই এর প্রতিটা শব্দ আপনাকে সেটাই শেখাবে। আপনার উন্নতি আপনারই হাতে, আমার এই বই শুধু মাত্র আপনাকে সঠিক পন্থা অবলম্বন করতে শেখাবে। ছোটো থেকে অজানা সেই চ্যাপ্টার সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান উপলব্ধি করতে পারবেন আপনার এই বই পড়লে, তাও মাত্র চার মাসের মধ্যে। তাই Ranjan Barman এর এই সর্বাধিক বিক্রিত বই “The Secret Art of Speaking English” আজই আপন করে নিন শুধুমাত্র নিজের স্বার্থে।

Book: ইংরেজিতে কথা বলার রহস্যঃ The Secret Art of Speaking English
Playstore: https://bit.ly/37R5pnA
Amazon: https://amzn.to/37NdYQd
Pothi: https://pothi.com/pothi/node/203884