Categories
Corona Virus

আপনি কি এটা জানতেন?

কিছুদিন আগে অবধি করোনা নিয়ে আমাদের মনে একটি ভয়ের ও চিন্তার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিলো। আমরা নিজেদের বাবা মা ও বাড়ির বয়স্কদের নিয়ে খুব চিন্তিত হয়ে পড়েছিলাম। বারবার হাতে সানিটাইজার দেওয়া সাবান দিয়ে হাত ধোয়া আমাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছিলো। বাড়ির বড়দের ও বয়স্কদের আমরা বারবার সাবধান করে দিচ্ছিলাম। তাদের বাড়িতেও মাস্ক পরে থাকতে বলা হোক বা আলাদা ঘড়ে রাখা হোক আমরা কোন রকম চেষ্টার বাদ দিই নি। তবে এখন মানুষ অনেকটা স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে আগের মতো। আর করোনার আক্রান্তের সংখ্যা ও নিজের মতো বেড়ে চলেছে প্রতিদিন। কিন্তু মানুষ আর আগের মতো করোনাকে পাত্তা দিচ্ছে না। বাইরে রাস্তায় ট্রাফিক জ্যাম দেখে তাই মনে হয়।

করোনা আমাদের অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়েছে। আমরা এখন জানি যে আমাদের হাতে অনেক রকম জীবাণু, ভাইরাস থাকতে পারে। খাবার আগে হাতে সানিটাইজার বা সাবান ব্যাবহার না করলে মনে হয় হাতে জীবাণু থেকে গেলো। ঠিক যেন একটা নতুন খুঁতখুঁতে ভাব আমাদের পেয়ে বসেছে। এটা একটা ভালো দিক কারন সত্যি আমাদের হাতে জীবাণু থাকে এবং সেটা পেটে গেলে আমাদের নানান অসুখের সৃষ্টি হতে পারে। এখন আমরা করোনাকে চিনি কিন্তু করোনার আগে অনেক জীবাণুই হইত নীরবে তাদের কাজ করে গেছে এবং ডাক্তারের পেছনে ও ওষুধের পেছনে আমাদের অনেক খরচ করিয়েছে।

মাস্ক পড়লে সুধু যে জীবাণুর হাত থেকে বাচা যায় তাই নয়। বিনা মাস্ক পরে আমরা বছরের পর বছর ধরে দুষিত কার্বন ও ধূলিকণা গ্রহণ করে এসেছি। এবং যার ফলে আমাদের শরীরের ধীরে ধীরে ক্ষতি হচ্ছে সেটা এখন বুঝতে পারছি না। মোটর সাইকেল যারা চালাই তারা জানে গাড়িতে বেশি কার্বন জমে গেলে সেটি স্টার্ট হয়না কার্বন পরিষ্কার না করা প্রজন্ত।

এটাতো গেলো সানিটাইজার আর মাস্ক ব্যাবহারের সুফল। এবার আসছি আমরা যে দৈনন্দিন খাদ্য গ্রহণ করছি সেটা কতটা নিরাপদ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আমরা সচেতন নই। আপনি যখন বাজার থেকে আপেল কিনে আনেন তখন কখনো আপেলের গায়ে চাকু বা চামচ দিয়ে ঘষে মোম এর মতো কিছু পেয়েছেন? যে আবরণ শুধু মাত্র জল দিয়ে ধুলে যাই না। আমরা না জেনেই অনেক সময় সেটা খেয়ে ফেলি।

ঠিক একইভাবে সব্জি ও অন্যান্য ফলমূলেও নানান কেমিক্যাল ব্যাবহার করা হয় যাতে সব্জি বা ফল বেশিদিন ভালো অবস্থায় থাকে এবং তাদের দেখতে তাজা ও আকর্ষণীয় দেখায়।

আমরা আমাদের হাতের জীবাণুকে মারার জন্য তো সাবান ব্যাবহার করে এসেছি এবং এখন সানিটাইজার এর ব্যবহার করছি। কিন্তু সব্জি ও ফলকে কি কেমিক্যাল এবং জীবাণু মুক্ত অবস্থায় গ্রহণ করছি?

কি ভাবছেন এর সমাধান কি হতে পারে? আপনার মাথায় হাত সানিটাইজ করার মতো সব্জি ও ফলকে সানিটাইজ করার চিন্তা আসছেনা তো? এই চিন্তা যদি এসে থাকে তো ভুলে যান। কারন তা করা আরও ক্ষতিকর।

সব্জি ও ফলকে একমাত্র প্রাকৃতিক উপাইএই কেমিক্যাল ও জীবাণু মুক্ত করা যেতে পারে। তার জন্য আমাদের আয়ুর্বেদিক উপায় অবলম্বন করতে হবে।

নিম, ফিটকারী, কাগজী লেবুর রস এবং লবণ এর সঠিক পরিমাণ মিশ্রণকে কাজে লাগিয়ে আমরা সব্জি ও ফলমূলকে কেমিক্যাল ও জীবাণু মুক্ত করতে পারি। এই মিশ্রণের ২০ থেকে ২৫ মিলি. পরিমাণ ১ লিটার জলে মিশিয়ে তাতে সব্জি ও ফলমূলকে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখতে হবে। এবং এরপর আপনি দেখতে পাবেন যে জলের ওপর নোংরা ভেসে উঠেছে এবং সব্জি ও ফলমূলকে আগের থেকে অনেক পরিস্কার দেখাচ্ছে।

এখন বাজারে অনেক সব্জি পরিষ্কার করার অনেক পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। সবগুলি যে সঠিক ভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে সব্জি ও ফলমূল থেকে নোংরা ও জীবাণু পরিষ্কার করতে সক্ষম সেটা বলা মুশকিল। তবে আমি নিজে যে পণ্যটি ব্যবহার করেছি এবং যার ফলাফলে সন্তুষ্ট হয়েছি আমি তার ব্যাপারে বলতে পারি। সত্যি এটি কাজ করে এবং ১০০% সঠিক ফলাফল দেয়। এটিতে সঠিক প্রাকৃতিক উপাদান যা সব্জিকে প্রাকৃতিক উপায়ে জীবাণু মুক্ত করতে সক্ষম সেই গুলি সঠিক পরিমানে রয়েছে।

সেই আয়ুর্বেদিক প্রোডাক্টটির ব্যাপারে আমি নিচে উল্লেখ করলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *